OrdinaryITPostAd

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম জানুন

বিদেশ থেকে বিকাশে সর্বোচ্চ কত টাকা পাঠানো যায়আজকের আর্টিকেলে আমরা বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। সেই সাথে আমরা আরো আলোচনা করব বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সুবিধা, অসুবিধা, চার্জ ইত্যাদি সম্পর্কে। তাই আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় ও উপকারী হতে যাচ্ছে।

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম

আজকের আর্টিকেলে আপনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন। কেননা এই ব্লগটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়লে আপনি বিকাশ থেকে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের যে কোন একাউন্টে টাকা পাঠানোর সকল প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম।

পেইজ সূচীপত্রঃ আপনার ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত ও নিরাপদ রাখতে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম শিখে রাখুন।

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম 

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানো খুবই সহজ। কিন্তু এ সহজ কাজটি করার জন্য আপনাকে যে বিষয়টা আগে জানতে হবে সেটা হচ্ছে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম। এই নিয়মটি বিস্তারিতভাবে জানলে আপনি খুব সহজে ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে  বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অনুসরণ করতে হবে। চলুন তাহলে জেনে নিন আপনি কি কি ধাপ অনুসরণ করলে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়াই। 

আরো পড়ুনঃ ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রবাসী লোন নেওয়ার উপায় জানুন। 

  1. বিকাশ অ্যাপ লগইনঃ বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর জন্য প্রথমে আপনি আপনার স্মার্টফোনে বিকাশ অ্যাপটি লগইন করুন।
  2. বিকাশ টু ব্যাংক আইকনঃ বিকাশে লগইন করার পর বিকাশের পেইজে বেশ কয়েকটি আইকন দেখা যাবে। সেখান থেকে আপনি ‘বিকাশ টু ব্যাংক’ -এই আইকনটিতে ক্লিক করুন। 
  3. ব্যাংক একাউন্ট সিলেক্টঃ এবার আপনার স্মার্টফোনের স্ক্রিনে ‘ব্যাংক একাউন্ট’ লিখা একটি অপশন আসবে। এই ‘ব্যাংক একাউন্ট’ লিখা অপশনে ক্লিক করুন।
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক নির্বাচনঃ এখন আপনার ফোনে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের লোগোসহ নাম দেখতে পাবেন। সেখান থেকে ‘ডাচ বাংলা ব্যাংক’ লিখার উপর ক্লিক করুন।
  5. একাউন্ট নাম্বার দিনঃ এবার আপনি ডাচ বাংলা ব্যাংকে যে একাউন্টে টাকা পাঠাতে চাচ্ছেন সেই একাউন্ট নাম্বারটি একদম সঠিকভাবে লিখুন।
  6. টাকার পরিমাণ লিখুনঃ আপনি যত টাকা পাঠাতে চাচ্ছেন সেই টাকার পরিমাণটা লিখুন। ভালোভাবে দেখে নিন পরিমাণ সঠিক লিখেছেন কিনা। 
  7. রেফারেন্স দিনঃ আপনি প্রয়োজন মনে করলে আপনার লেনদেনের একটি রেফারেন্স দিতে পারেন। 
  8. পিন নম্বর দিনঃ এবার আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার দিন। 
  9. লেনদেন সম্পন্ন করুনঃ আপনার সবগুলো তথ্য যদি সঠিক থাকে তাহলে লেনদেনটি সম্পন্ন করার জন্য ‘পরবর্তী’ বা ‘সাবমিট’ বাটনের উপর ক্লিক করুন।

সবশেষে, আপনার লেনদেনটি সফল হলে আপনি একটি সাকসেসফুল বা নিশ্চিতকরণ ম্যাসেজ পাবেন। এভাবে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম অনুযায়ী টাকা পাঠান আর বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের অনলাইন ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করুন নিশ্চিন্তে।

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সুবিধা

ব্যাংকিং সেবা গুলো অনলাইন ভিত্তিক হওয়ার কারণে আমাদের পরিশ্রম ও সময় দুটোই বেঁচে যাচ্ছে। বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয়ই এরকম অনলাইন ভিত্তিক লেনদেনে সুবিধা প্রদানকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ঘরে বসে আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোনে বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি যেকোনো সময় ডাচ-বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন। এছাড়াও, বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর বিভিন্ন সুবিধা আছে। বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো-

  • দ্রুত ও সহজ লেনদেনঃ বিকাশ একটি জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা যা, দ্রুত এবং সহজে টাকা পাঠানোর সুবিধা প্রদান করে। আপনি আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে যেকোন জায়গা থেকে, যেকোন সময় টাকা পাঠাতে পারবেন অতি সহজেই। 
  • নিরাপত্তাঃ বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানই তাদের গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আপনার লেনদেন ও লেনদেনের তথ্য  সুরক্ষিত রাখতে উভয় প্লাটফর্মই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে। 
  • কম খরচঃ তুলনামূলক ভাবে কম খরচে আপনি বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন। অন্যান্য মাধ্যমে টাকা পাঠাতে গেলে আপনার খরচ হয়তো বেশি পড়ে যেতে পারে।
  • ঝামেলামুক্ত প্রক্রিয়াঃ বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়াটি বেশ সহজ ঝামেলামুক্ত। এই প্রক্রিয়াতে টাকা পাঠানোর জন্য আপনাকে কোনো কাগজপত্র বা দীর্ঘ ফর্ম পূরণ করার ঝামেলা থাকে না।
  • সময় বেঁচে যায়ঃ আপনি ঘরে বসে থেকেই বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন। যার ফলে আপনার সময়ও বাঁচবে আবার এই কাজের জন্য আপনার আলাদা কোন পরিশ্রম করার প্রয়োজন হলো না।
  • অতিরিক্ত সুবিধাঃ বিকাশ এবং ডাচ বাংলা ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের বিভিন্ন ধরণের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করে, যেমন- ক্যাশব্যাক অফার, ডিসকাউন্ট কুপন ইত্যাদি। 

তাই দারুণ এসব সুবিধা উপভোগ করতে হলে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম অনুসরণ করে ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে টাকা পাঠাতে হবে। তবে, আপনার ব্যাক্তিগত প্রয়োজন এবং সুবিধার ওপর নির্ভর করে আপনি কোন মাধ্যম ব্যবহার করবেন তা নির্ধারণ করতে পারেন।

বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ কত

আপনি কোন মাধ্যমে টাকা পাঠাচ্ছেন এবং কত টাকা পাঠাচ্ছেন- মূলত এই দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর চার্জ।

সাধারণত বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর দুটি প্রধান মাধ্যম রয়েছে। মাধ্যম ২টি হলো-

  • বিকাশ অ্যাপ থেকে সরাসরি ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে টাকা পাঠানো।
  • ভিসা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে বিকাশ থেকে ডাচ ব্যাংকে টাকা পাঠানো।

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে কোন মাধ্যমে কত টাকা চার্জ কাটবে সেটা বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা-

১.বিকাশ অ্যাপ থেকে সরাসরি ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোঃ

  • বিকাশ অ্যাপ থেকে সরাসরি ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে টাকা পাঠালে সাধারণত ১.২৫% হারে চার্জ লাগে। অর্থাৎ, আপনি যদি ১০০ টাকা পাঠান, তাহলে ১.২৫ টাকা সার্ভিস চার্জ হিসেবে কেটে নিবে। আবার, আপনি যদি ১০০০ টাকা পাঠান, তাহলে ১২.৫০ টাকা সার্ভিস চার্জ হিসেবে কাটা হবে। তবে, এই চার্জ সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে,  তাই বিকাশ অ্যাপে টাকা পাঠানোর আগে চার্জ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া ভালো। 

২. ভিসা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোঃ

  • ভিসা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠালে চার্জ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। এখানেও লেনদেনের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে চার্জ নির্ধারিত হয়। সাধারণত, এই ক্ষেত্রে ১.২৫% থেকে ১.৪৯% পর্যন্ত চার্জ লাগতে পারে। অথাৎ, আপনি যদি ১০০০ টাকা পাঠান তাহলে, ১২.৫০ টাকা থেকে ১৪.৯০ টাকা পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ লাগতে পারে। 

চার্জ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে, আপনি বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন অথবা বিকাশের হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া, ডাচ বাংলা ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও এই বিষয়ে তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানো কি নিরাপদ 

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানো একটি নিরাপদ প্রক্রিয়া। বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংক দুটি প্রতিষ্ঠানই লেনদেনের ব্যাপারে তাদের গ্রাহকদের জন্য যথেষ্ট নিরাপত্তা মেইনটেইন করে। তাই বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়াটি এতোটা নিরাপদ। এটি বিভিন্ন কারণে নিরাপদ, তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখোগ্য কারণ নিচে তুলে ধরা হলো-

  • আধুনিক প্রযুক্তিঃ গ্রাহকের সর্ব্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকাশ এবং ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয় প্রতিষ্ঠানই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে। যাতে লেনদেন প্রক্রিয়া সুরক্ষিত থাকে সেই দিকে উভয় প্রতিষ্ঠানই যথেষ্ট খেয়াল রাখে।
  • নিরাপত্তা প্রটোকলঃ ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয় প্ল্যাটফর্মই একাধিক স্তরের নিরাপত্তা প্রোটোকল ব্যবহার করে,  যা আপনার লেনদেনকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করে। 
  • গোপনীয়তা সুরক্ষাঃ বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয় প্রতিষ্ঠানের নিকট আপনার ব্যাক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য অত্যন্ত গোপণীয় থাকে। কারণ উভয় প্রতিষ্ঠানই গ্রাহকদের গোপণীয়তা সুরক্ষা করা তাদের পরম দায়িত্ব বলে মনে করে।
  • লেনদেন নিশ্চিতকরণঃ প্রতিটি লেনদেনের আগে আপনার ফোন নাম্বারে একটি পিন ও ওটিপি দেয়া হয়। যার ফলে আপনি আপনার প্রত্যেকটি লেনদেন সম্পর্কে নিশ্চিত থাকতে পারবেন। এতে আপনার সম্মতি ছাড়া কোনো কোনো লেনদেন সম্ভব হবে না।
  • গ্রাহক সহায়তাঃ বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয়েরই শক্তিশালী গ্রাহক সহায়তা ব্যবস্থা রয়েছে। কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সাহায্য করতে প্রস্তুত। 
  • নিয়মিত নিরীক্ষণঃ বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয় প্রতিষ্ঠানই তাদের সিস্টেমের নিরাপত্তা নিয়মিত নিরীক্ষণ করে, যাতে কোনো দুর্বলতা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করা যায়।

এসব কারণে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানো নিরাপদ। তবে, নিজের নিরাপত্তার জন্য সবসময় পিন ও ওটিপি গোপন রাখা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। 

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা লেনদেনের সীমা

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে আপনি যতবার ইচ্ছে ততোবার অথবা যত ইচ্ছা ততো পরিমাণ টাকা লেনদেন করতে পারবেন না। কারণ এই প্রক্রিয়ায় টাকা লেনদেন করার একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা লেনদেন করার সীমা নিচে উল্লেখ করা হলো-

আরো পড়ুনঃ

  1. লেনদেনের ধরণঃ বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংক ভেরিফাইড একাউন্ট টাকা পাঠাতে পারবেন। 
  2. দৈনিক লেনদেনের সীমাঃ আপনি এক দিনে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে ১০ বার লেনদেন করতে পারবেন। 
  3. মাসিক লেনদেনের সীমাঃ আপনি প্রতি মাসে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে ১০০বার টাকা লেনদেন করতে পারবেন।
  4. প্রতি লেনদেনে সর্বনিম্ন টাকার পরিমাণঃ বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে প্রত্যেক লেনদেনে সর্বনিম্ন টাকার পরিমাণ হতে হবে ৫০ টাকা।
  5. প্রতি লেনদেনে সর্ব্বোচ্চ টাকার পরিমাণঃ প্রতি লেনদেনে আপনি একবারে সর্ব্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পাঠাতে পারবেন।
  6. দৈনিক সর্ব্বোচ্চ টাকার পরিমাণঃ দৈনিক আপনি সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পাঠাতে পারবেন।
  7. মাসিক সর্ব্বোচ্চ টাকার পরিমাণঃ মাসে আপনি সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ টাকা পাঠাতে পারবেন।

আরো বিস্তারিত জানতে আপনি বিকাশের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ঢুকে চেক করতে পারেন অথবা তাদের হেল্পলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন।

লেনদেন সফল হয়েছে কিনা সেটা যেভাবে বুঝবেন 

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানো সত্যি অনেক সহজ ও দ্রুততর একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় কাজ করে আপনি তখনই মানসিকভাবে স্বস্তি পাবেন যখন আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে আপনার লেনদেনটি সফল হয়েছে। অর্থাৎ আপনার টাকাটি সঠিক একাউন্টে জমা হয়েছে। লেনদেনটি সফর হয়েছে কিনা তা জানার কয়েকটি আছে। বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সময় লেনদেনটি সফল হয়েছে কিনা তা বুঝার কয়েকটি উপায় নিচে তুলে ধরা হলো-

১. বিকাশ অ্যাপের নোটিফিকেশনঃ 

  • লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর বিকাশ অ্যাপ থেকে একটি নোটিফিকেশন আসবে। সেখানে আপনার লেনদেন সফল হয়েছে কিনা তা উল্লেখ থাকবে। 
  • নোটিফিকেশনে লেনদেনের পরিমাণ, সময়, তারিখ এবং ট্রানজাকশন আইডি সহ অন্যান্য নিশ্চিতকরণ তথ্য উল্লেখ থাকবে। 

২. এসএমএস নোটিফিকেশনঃ

  •  বিকাশ থেকে একটি এসএমএস পাঠানো হবে, যেখানে লেনদেন সফল হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকবে।
  • এস এম এস ট্রানজেকশন আইডি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া থাকবে।

৩. লেনদেনের বিবরণীঃ 

  • বিকাশ অ্যাপের লেনদেনের ইতিহাস বা বিবরণী থেকে আপনি লেনদেনের অবস্থা জানতে পারবেন।
  • এখানে লেনদেন সফল হলে ‘সাকসেসফুল’ লেখা থাকবে।
  • লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই আপনার বিকাশ একাউন্টে মোট ব্যালেন্স থেকে টাকার পরিমাণ কমে যাবে। 

৪. ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট চেকঃ

  •  আপনার ডাচ বাংলা ব্যাংকের যে একাউন্টে টাকা পাঠিয়েছেন সেখানে টাকাটা জমা হয়েছে কিনা তা চেক করেন।
  • ডাচ বাংলা ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইন ব্যাংকিং- এর মাধ্যমে আপনি সহজেই একাউন্ট ব্যালেন্স এবং লেনদেনের বিবরণী দেখতে পারবেন।

৫. কাস্টমার সাপোর্টঃ যদি কোনো কারণে লেনদেন সম্পর্কে আপনার কোনো ধরণের সন্দেহ থাকে, তাহলে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হতে পারেন। বিকাশ হেল্পলাইন নাম্বার হচ্ছে-১৬২৪৭।

অতএব, বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্য গুলো থেকে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার লেনদেনটি সফল হয়েছে কিনা। 

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের ভুল একাউন্টে টাকা গেলে যা করবেন 

বিকাশ থেকে টাকা পাঠানোর সময় বেখেয়ালবশত কাজ করলে বা অ্যাকাউন্ট নাম্বারের কোন ডিজিট ভুল হলে ভুল একাউন্টে টাকা চলে যাবে। বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের ভুল একাউন্টে টাকা চলে গেলে আপনি কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে পারবেন। চলুন তাহলে জেনে নিন ভুল একাউন্টে টাকা গেলে কি কি পদক্ষেপ নিবেন-

১. তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিনঃ তাৎক্ষণিকভাবে বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন। উভয় প্রতিষ্ঠানের হেল্পলাইন নাম্বার গুলো নিচে দেয়া হল-

  • বিকাশ হেল্পলাইন নাম্বারঃ ১৬২৪৭।
  • ডাচ বাংলা ব্যাংক হেল্পলাইন নাম্বারঃ ১৬২১৬ অথবা ০৯৬৬৬৭১৬২১৬।

২. লেনদেনের বিবরণ দিনঃ আপনার লেনদেনের সকল বিবরণ স্পষ্টভাবে তুলে ধরুন। 

  • ভুল একাউন্টের নাম্বার। 
  • টাকার পরিমান। 
  • লেনদেনের তারিখ ও সময়। 

৩.লেনদেনের প্রমাণ সংগ্রহ করুনঃ আপনার লেনদেনের প্রমাণ যথাযথভাবে সংগ্রহ করে রাখুন। যেসব প্রমান সংগ্রহ করবেন সেগুলো হলো-

  • বিকাশের লেনদেনের মেসেজ বা স্ক্রিনশট। 
  • ডাচ বাংলা ব্যাংকের লেনদেনের মেসেজ বা স্ক্রিনশট। 

৪. নিকটস্থ বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগঃ আপনার নিকটস্থ বিকাশ ডাচ বাংলা ব্যাংকের শাখায় তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করুন। উভয় প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগের পর যা করবেন তা হল-

  • আপনার সমস্যাটি বিস্তারিত ভাবে জানান। 
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন। 

৫. আইনি সহায়তাঃ প্রয়োজন হলে আইনের আশ্রয় নিন।

  • যদি ব্যাংক থেকে কোন সমাধান না পান, তাহলে আইনি সহায়তা নিতে পারেন। 

৬. অতিরিক্ত কিছু টিপসঃ বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের ভুল একাউন্টে টাকা চলে গেলে যে কাজগুলো করতে পারেন সে বিষয়ে অতিরিক্ত কিছু টিপস আপনার সাথে শেয়ার করলাম। 

  • ভুল একাউন্টে টাকা পাঠানোর সাথে সাথেই পদক্ষেপ নিন। 
  • ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে শান্তভাবে কথা বলুন। 
  • প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। 
  • ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার জন্য লেনদেনের আগে অ্যাকাউন্ট নম্বর ভালোভাবে যাচাই করুন।
বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম জেনে আপনি টাকা ট্রান্সফার করলেন। কিন্তু ভুল একাউন্টে টাকা চলে গেলে উপরোক্ত পদক্ষেপ গুলো নিবেন। তবে, সব সময় চেষ্টা করবেন যেন কোনভাবে ভুল একাউন্টে টাকা না যায়।

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর অসুবিধা

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর অসুবিধা

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর যেমন অনেক সুবিধা আছে তেমনি কিছু অসুবিধাও পরিলক্ষিত হয়। এর অসুবিধাগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করবো। আসুন তাহলে জেনে নিন বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর যেসব অসুবিধা আছে সেগুলো জেনে নিন-

  • সার্ভিস চার্জঃ বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে হলে আপনাকে কিছু সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। এই চার্জ সাধারণত লেনদেনের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত। এই চার্জের টাকাটা দিতে অনেকের আপত্তি আছে।
  • লিমিটঃ বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে দৈনিক এবং মাসিক লেনদেনের সীমা রয়েছে। আপনার ইচ্ছে বা প্রয়োজন থাকলেও আপনি নির্ধারিত সীমার বাইরে টাকা পাঠাতে পারবেন না। এই নির্ধারিত সীমার বেশি টাকা পাঠাতে হলে আপনাকে অন্য মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে।
  • সময়ঃ যদিও বিকাশ থেকে টাকা পাঠানো দ্রুত হয়, তবে কখনো কখনো নেটওয়ার্ক সমস্যা বা অন্য কোনো কারণে লেনদেন সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
  • প্রাপকের তথ্যঃ ডাচ বাংলা ব্যাংকে একাউন্টে টাকা পাঠানোর জন্য প্রাপকের সঠিক তথ্য যেমন- একাউন্ট নম্বর, নাম ইত্যাদি জানতে হয়। কোনো কারণে কোনো তথ্য ভুল হলে অন্য একাউন্টে টাকা চলে যাবার ভয় আছে।
  • নিরাপত্তা ঝুঁকিঃ অনলাইনে টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে কিছু নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। হ্যাকার বা প্রতারকদের দ্বারা আপনার একাউন্ট হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • প্রযুক্তিগত সমস্যাঃ মাঝে মাঝে বিকাশ অ্যাপ বা সার্ভারে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার ফলে অনেক সময় লেনদেন করতে অসু্বিধা দেখা দিতে  পারে।

নিশ্চয়ই, এইসব অসুবিধাগুলো বিবেচনা করে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরী 

বিকাশ থেকে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানো খুবই সহজ ও দ্রুততর একটি প্রক্রিয়া। তবে এই প্রক্রিয়ায় টাকা পাঠানোর আগে অবশ্যই আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখা জরুরী। এ বিষয়গুলো আপনার জানা থাকলে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে আপনাকে কোন সমস্যা সম্মুখীন হতে হবে না। আসুন তাহলে জেনে নিন সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে-

আরো পড়ুনঃ

১. ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারঃ

  • আপনি যার একাউন্টে টাকা পাঠাতে চাচ্ছেন তার নির্ভুল ও সঠিক নাম্বার জেনে নিন। কেননা কোন কারনে অ্যাকাউন্ট নাম্বারে যেকোনো একটা সংখ্যার ভুল দেয়ার কারণে টাকা অন্য একাউন্টে চলে যেতে পারে। সে টাকা ফেরত পাওয়া কঠিন হতে পারে। 
  • টাকা পাঠানোর সময় অ্যাকাউন্ট নাম্বারটি সঠিক কিনা তা যাচাই করে নিন।

২. প্রাপকের নামঃ একাউন্টের পাশাপাশি প্রাপকের সঠিক নাম জেনে নিন। 

  • প্রাপকের নামের বানান যেন সঠিক থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। 

৩. লেনদেনের সীমা ও চার্জঃ

  • বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে লেনদেনের একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। পাঠানোর সময় যাতে কোনো ভুল না হয় তাই টাকা পাঠানোর সীমা ভালোভাবে জেনে নিন। 
  • ব্যাংকে টাকা লেনদেনের সময় বিকাশ থেকে একটি নির্দিষ্ট চার্জ কাটে। এই চার্জ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। 
  • বিকাশ অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লেনদেনের সীমা ও চার্জ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। 

৪.ইন্টারনেট সংযোগঃ

  • বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা লেনদেনের সময় ইন্টারনেট সংযোগ ঠিক আছে কিনা সেটা জানা জরুরী।ইন্টারনেট সংযোগ ঠিক না থাকলে লেনদেন করতে সময় বেশি লাগতে পারে এমনকি লেনদেন ব্যর্থ হয়ে  টাকা আটকেও যেতে পারে।

৫. বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্সঃ

  • টাকা পাঠানোর আগে বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স আছে কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

৬. বিকাশ হেল্পলাইনঃ

বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর সময় লেনদেনের কোন সমস্যা হলে বিকাশের হেল্পলাইন নাম্বার *247# ডায়াল করুন। আর আপনার সমস্যার কথা তাদের সাথে শেয়ার করে সমাধান নিন। 

৭. অতিরিক্ত তথ্যঃ

  • ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টটি বন্ধ হয়ে গেছে নাকি সচল আছে, তা নিশ্চিত করুন। 
  • বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। 
  • উপরোক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে লেনদেন করলে বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে নিরাপদে আপনি টাকা পাঠাতে পারবেন। 
এসব বিষয় মাথায় রেখে আপনি যদি বিকাশ থেকে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে টাকা লেনদেন করেন তাহলে আপনার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমে যাবে। তাই উপরের বিষয়গুলো আপনার ভালোভাবে জেনে রাখা অনেক জরুরী।

লেখকের শেষ কথা।

বিকাশ ও ডাচ বাংলা ব্যাংক উভয়ই অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আস্থাভাজন আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এরা বহুবছর ধরে এদের বিশ্বস্ততা, নিরাপত্তা, সহজ ও দ্রুততর ব্যাংকিং সেবা গ্রাহকদের দিয়ে আসছে। আপনি নিশ্চিন্তে এদের সাথে লেনদেন করতে পারেন। ঘরে বসেই আপনি বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে যেকোনো অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন খুব সহজেই। তবে মনে রাখবেন, লেনদেনে কোন সমস্যা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আশা করছি উপরের আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়েছেন। আর বিকাশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানো সম্পর্কে সকল প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়েছেন নিশ্চয়ই। এই তথ্যগুলো যদি আপনার উপকারে আসে তাহলে সকলের সাথে শেয়ার করুন। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ ও ইউনিক তথ্য পেতে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। আর আমাদের কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত জানিয়ে আমাদের পাশে থাকুন। আপনার জন্য রইল অনেক শুভকামনা। 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ট্রাসটেডএয়ার্ডের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪