OrdinaryITPostAd

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও অসুবিধা

স্মার্ট টিভিতে কি কি করা যায়আপনি কি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো কি কি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ কি এসব বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন ? তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য । এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়লে আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো কি কি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন । চলুন তাহলে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও অসুবিধা

আজকের আর্টিকেলে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো কি কি ? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কে কিছু কথা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা গুলো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অসুবিধা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব ।  নিচে আপনাদের জন্য সবগুলো বিষয় বিস্তরভাবে আলোচনা করা হলো।

পোস্ট সূচীপত্রঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে জানা আপনার জন্য জরুরী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা অসুবিধাগুলো জানার আগে আপনাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি সেই বিষয়ে সম্যক জ্ঞান থাকা উচিত। আপনাদের জন্য আজকে আমরা আলোচনা করবো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কিকি এসব বিষয়ে। যাতে আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী ও সুবিধা  অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে পারেন। চলুন তাহলে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো কি কি সেসব বিষয় জেনে নিন। 

এখনকার সময়ে সারা বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  ব্যবহার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়া যেন আমাদের একটা দিনও পার হবে না। বিশ্বের মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জরিয়ে পড়েছে। আপনার জন্য বেশ জনপ্রিয় কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো উল্লেখ করা হলোঃ

  • ফেসবুক 
  • হটস অ্যাপ
  • ইউটিউব 
  • ইনস্টাগ্রাম
  • টুইটার 
  • টিকটক
  • ভাইবার 
  • লিংকডিন
  • টেলিগ্রাম 
  • পিনটারেস্ট
  1. ফেসবুকঃ ফেসবুক সবথেকে জনপ্রিয় একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। মার্ক জুকারবার্গ তার বন্ধুদের সাথে নিয়ে ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ তারিখে ফেসবুক চালু করেন । ফেসবুকে সদস্য হওয়ার জন্য কোন টাকা পেমেন্ট করতে হয় না । ব্যবহার কারীগণ বন্ধু সংযোজন বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলি প্রকাশ আদান-প্রদান ও হালনাগাদ করতে পারেন । এছাড়া এতে অডিও ও ভিডিও প্রকাশ করা যায় । ফেসবুকে যে কোন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব পেজ খুঁজে খুলতে পারে তেমনি সম্ভাবনা বন্ধুরা মিলে চালু করতে পারে কোন গ্রুপ । www.stastica.com এর রিপোর্ট জুলাই সেপ্টেম্বর ২০১৮ অনুযায়ী বিশ্বে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২.৭ বিলিয়ন ।
  2. হটস অ্যাপঃ ফেসবুকের পর সবথেকে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে হটস অ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপেও অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় না । হোয়াটসঅ্যাপে বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন একে অন্যের সাথে কথোপকথন ছবি লেনদেন ভিডিও লেনদেন করে থাকে । বিশ্বের যেকোন প্রান্তর থেকে হটস অ্যাপে আপনি পরিবার বন্ধুবান্ধব পরিজন সবার সাথেই যোগাযোগ বজায় রাখতে পারবেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহক সংখ্যা ২.৫ বিলিয়ন ।
  3. ইউটিউবঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরেকটি জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউব ।  ইউটিউবে আপনি যে কোন সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন খুব সহজে । ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও দেয়া থাকে যে ভিডিওগুলোতে আপনাদের সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে ।
  4. ইনস্টাগ্রামঃ ইনস্টাগ্রাম মানুষের কাছে অনেক প্রিয় একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম । বর্তমানে ইনস্টাগ্রামের গ্রাহক সংখ্যা ২ বিলিয়ন । ইনস্টাগ্রামে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা হয় । সেলিব্রিটিদের ইনস্টাগ্রামে বিচরণ সবচেয়ে বেশি । সাধারণ মানুষের  ইনস্টাগ্রাম instagram ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে থাকে ।
  5. টুইটারঃ টুইটারও একটি সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা । তবে ফেসবুকে সঙ্গে এর একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে । এটিতে ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ ১৪০ ক্যারেক্টার এর মধ্যে তাদের মনের ভাব প্রকাশ আদান প্রদান করতে হয়। এজন্য এটিকে মাইক্রো ব্লগিং এর একটি ওয়েবসাইটে বলা হয় । ১৪০ অক্ষরের এ বার্তা কে বলা হয় টুইট (tweet) । টুইটারে সদস্যদের টুইট বার্তাগুলো তাদের প্রোফাইল পাতায় দেখা যায় । টুইটারের সদস্যদের একে অপরকে follow বা অনুসরণ করতে হয় । কোন সদস্যকে তারা যারা অনুসরণ করে তাদেরকে বলা হয় follower বা অনুসারী ।
  6. টিকটকঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে । টিকটক চায়নাতে আবিষ্কৃত হয় । গবেষণায় দেখা গেছে ১.২ বিলিয়ন গ্রাহক সংখ্যা । tiktok আবিষ্কৃত হওয়ার পর প্রথমে চায়না এবং পরে সারা বিশ্ব এটি ব্যবহার করে । কাজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে tiktok ও বেশ জনপ্রিয় ।
  7. ভাইবারঃ নেট ব্যবহারকারীরা বাইবার কেউ বেশ আগ্রহের সাথে ব্যবহার করে আসছে । কারণ ভাইবারে অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। ভাইবারেও ভিডিও কল , অডিও কল করা যায় অনেক সুন্দর ভাবে । ভাইবারেও আপনি বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে সকলের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে পারবেন । তাই ভাইবার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
  8. লিংকডিনঃ লিংকডিন সাধারণত প্রফেশনাল মানুষেরা বেশি ব্যবহার করে  । চাকরির বিষয়ে অনেক কিছু আপনি এখান থেকে জানতে পারবেন এবং আপনি এখানে বিভিন্ন চাকরির জন্য  আবেদন করতে পারবেন । আপনার বায়োডাটা কারো কাছে পছন্দ হলে বিভিন্ন চাকরির অফার ও পাবেন । 
  9. টেলিগ্রামঃ টেলিগ্রামের মেসেজ আদান-প্রদান, অডিও কল, ভিডিও কল সবকিছুই করা যায়। টেলিগ্রাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। টেলিগ্রামে আপনি যেকোন ছবি এবং ভিডিও লেনদেন করতে পারবেন। গ্রাহকের অনেক পছন্দের তালিকায় রয়েছে টেলিগ্রাম। 
  10. পিনটারেস্টঃ পিনটারেস্ট অনেক জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম । পিনটারেস্ট হচ্ছে একটি আমেরিকান সোশ্যাল মিডিয়া । পিনটারেস্ট গ্রাহক বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক । মহিলারা সবচেয়ে বেশি স্পেশাল মিডিয়াটি ব্যবহার করে থাকেন । পিনটারেস্টে আপনার ছবির সাথে ওয়েবসাইটের লিংক বা ইউটিউব লিংক বা যে কোন কনটেন্টের লিংক আপনি সংযুক্ত করতে পারবেন । যার ফলে অনেক অর্গানিক রিচ পাওয়া যাবে । অর্গানিক রিজ বাড়ানোর জন্য পিন্টারেস্ট অনেক ভালো একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম । বর্তমান বিশ্বে মাসে ৪০০ মিলিয়ন মানুষ গ্রাহক পিনটারেস্ট ব্যবহার করে অতি আগ্রহের সাথে ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সামাজিক মিডিয়া সম্পর্কে কিছু কথা ।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা সমূহ।

বিশ্বগ্রাম ব্যবস্থায়ী ইন্টারনেট এখন সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে । ইন্টারনেটের কল্যাণে মানুষ এখন ফেসবুক লিংক দিন সাহায্যে বিশাল সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। বাস্তব জীবনে কারো কোন বন্ধু না থাকলেও এ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলিতে একজন ব্যক্তির অনেক বন্ধু থাকতে পারে । সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে খুব সহজেই একে অপরের কাছাকাছি থাকতে পারছে । 

আরো পড়ুনঃইনফিনিক্স নোট 30 প্রো প্রাইস ইন বাংলাদেশ

ফেসবুক, লিংকডিন বা টুইটারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে অবস্থানরত প্রিয়জন বা বন্ধু-বান্ধবের সাথে মুহূর্তের মধ্যেই তথ্য আদান-প্রদান করতে পারছে । এ সকল মাধ্যমগুলিতে মানুষ স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছে । ইন্টারনেটের সাহায্যে মানুষ আজ এই আধুনিক সমাজ ব্যবস্থাকে গড়ে তুলেছে যার মাধ্যমে সামাজিক চাহিদাকেও পূরণ করতে পারছে । ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের মোট ৩.৪৮৪ বিলিয়ন মানুষ কোন না কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে যা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৫% ।

উইকিপিডিয়া অনুসারে, সামাজিক মাধ্যম হলো কম্পিউটার মধ্যস্থতায় এমন একটি টুল যা মানুষ কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানকে ভার্চুয়াল কমিউনিটি বা নেটওয়ার্কের তথ্য , পেশার স্বার্থ সংক্রান্ত কৌতূহল , ধারণা , ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি তৈরি বিনিময়ে ও শেয়ার করার সুযোগ সৃষ্টি করে ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্যঃসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি 

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো ওয়েব ২.০ ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন ।
  • ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরি করা বিষয়বস্তু যেমন-টেক্সট ডিজিটাল ফটো বা ডিজিটাল ভিডিও ইত্যাদির পোস্ট হল সামাজিক মিডিয়ার জীবনশক্তি ।
  • ব্যবহারকারী তাদের ওয়েবসাইট প্রোফাইল ইত্যাদি তৈরি করে যা সামাজিক মিডিয়ার প্রতিষ্ঠান ওইগুলো ডিজাইন তৈরি করে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে ।
  • ব্যবহারকারীর প্রোফাইল অন্যান্য ব্যক্তি বা দলের সাথে সংযোগ সাধন করে সামাজিক মিডিয়া অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্ক উন্নয়ন করার সুবিধা প্রদান করে ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা সমূহ।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি ? 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও অসুবিধা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো এমনভাবে আমাদের জীবনের সাথে জড়িয়ে গেছে,  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়া আমাদের চলেই। ছোট থেকে বড় পর্যন্ত সবাই সারাদিনের সকল কাজে কোনো না কোনোভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে। কেননা এসব মাধ্যমগুলো আমাদের জীবনকে অনেক সহজতর, সাবলীল ও সুন্দর করে তুলেছে। ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র, বিনোদন, জিনিসপত্র ক্রয়-বিক্রয়, নিত্যদিনের সকল প্লাটফর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের ব্যাপক সুবিধা দিয়ে থাকে।এগুলোর মধ্যে কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ

  1. সংযুক্ত থাকাঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রধান উদ্দেশ্য হল প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল এবং দ্রুতগামী বিশ্বে পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধবের সাথে সংযুক্ত থাকতে সক্ষম হওয়া । একই সাথে এর মাধ্যমে পুরনো বন্ধুত্বকে নতুন করে তৈরি করা এবং পারিবারিক ছবি ও জীবনের বিশেষ ঘটনা ও মুহূর্তগুলোকে পরিচিত সকলের সাথে শেয়ার করা ।
  2. সম্ভাবনা বা সমভাবাপন্ন মানুষ খুঁজে পাওয়া বা একত্রিত হওয়াঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো সম্পূর্ণ নতুন বা অপরিচিত মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার একটি অন্যতম পন্থা । এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি তার নিজস্ব অভিরুচি বা সব বা পছন্দ অপছন্দের সাথে খুঁজে পেতে পারে এবং তার চারপাশের এক ধরনের চিন্তাভাবনা সম্পূর্ণ মানুষদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে । বর্তমান সময়ে প্রচলিত নিয়মে সরাসরি সাক্ষাৎ করার পরিবর্তে সামাজিক মাধ্যমে ও অনলাইনে পরস্পরের সাথে সাক্ষাৎ করা স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে । যা মানুষের জীবনকে অনেক সহজ তর করেছে ।
  3. বিপণন বা প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ারঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক এবং বিপুল বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে । এর মাধ্যমে ও তাদের নিজেদের সম্পর্কে ব্যাপকভাবে প্রচার ও বিপণন কার্যক্রম চালাতে সক্ষম হন যা পূর্বে কল্পনা করা যেত না ।
  4. অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে তথ্যের বিস্তারঃ সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর মাধ্যমে যেকোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও চাঞ্চল্যকর সংবাদ সমূহ আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে  । এর মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন-দুর্ঘটনা স্মরণ করা তথ্যানো সন্ধান করা বা হারিয়ে যাওয়া শিশুদের সম্পর্কে খোঁজ করা ইত্যাদি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়া হয় ও দ্রুত ছড়িয়ে দেয়া হয় ।
  5. অপরাধী সনাক্তকরণে ও গ্রেপ্তার করতে সহায়কঃ মানুষ সাধারণত সামাজিক সাইটে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়ার ফলাফল সম্পর্কে সতর্ক থাকে না । অনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের লিপ্ত থাকা ছবি বা সংঘটিত অপরাধ সম্পর্কে কোনো পোস্ট দেখে আইন প্রয়োগকারী ব্যক্তিরা অপরাধীকে সনাক্ত করতে এবং গ্রেফতার করতে এই সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে থাকেন ।
  6. তথ্যের আদান-প্রদানঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দ্বারা আমরা বিভিন্ন ধরণের তথ্য খুব দ্রুত পেতে পারি। খবর,ঘটনা, বিশ্লেষণ, মতামত ইত্যাদি সব কিছুই আমরা এই প্লাটফর্মগুলো পাই।
  7. জ্ঞান অর্জনঃ অনেক বিশেষজ্ঞ ও বিষয়বস্তু নির্মাতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তাদের জ্ঞান শেয়ার করেন। আপনি তাদের পোস্ট, ভিডিও দেখে নতুন নতুন জিনিস শিখতে পারি।
  8. বিনোদনঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের বিনোদন দেয়। মজার মিম, ভিডিও, গান ইত্যাদি দেখে আপনি আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখতে পারবেন। 
  9. ব্যবসায় প্রচারঃ ব্যবসায়ীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তাদের পণ্য বা সেবা প্রচার করে। এটি একটি খুব কার্যকর ও সাশ্রয়ী মার্কেটিং পদ্ধতি। 
  10. সামাজিক পরিবর্তনঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সামাজিক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা, জনমত গঠন ইত্যাদি কাজে এই মাধ্যমগুলো ব্যবহৃত হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অসুবিধা সমূহ ।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি ? 

প্রাত্যহিক জীবনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের প্রচুর সুযোগ-সুবিধা দেয় সেটা আমরা সকলেই জানি। এতোগুলো সুবিধা দেয়ার পরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার ফলে আমরা বিভিন্ন রকম অসুবিধারও সম্মুখীন হয়েছি। যা জনজীবনের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে । এসব ক্ষতি থেকে আপনারা যাতে রক্ষা পেতে পারেন তাই আপনাদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কয়েকটি অসুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

  1. মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য কে প্রতিষ্ঠা করাঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোন তথ্য বা সংবাদ ১ঘন্টা বা একদিনের ভিতর কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায় । দুর্ভাগ্যজনকভাবে এর মাঝে অনেক মিথ্যা ও সংবাদ থেকে । এ মিথ্যা তথ্য সমাজে আতঙ্ক ও ব্যাপক তথ্য বিভ্রান্তি ঘটাতে পারে এমনকি সমাজে শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে পারে ।
  2. পারস্পারিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটানোঃ সামাজিক মাধ্যমে অনলাইনে সামাজিক মিথস্ক্রিয়ায় যে কেবল নতুন সম্পর্কে সৃষ্টি হচ্ছে তা নয় অনেক সম্পর্ক ভেঙেও যাচ্ছে । এই মাধ্যমে যে কারো সাথে যোগাযোগ করা এবং ছবি ও পরিকল্পনা শেয়ার করা ও তা গোপন রাখা অত্যন্ত সহজ । নতুন প্রলোভনের ফলে মানুষের জীবনে অনেক মূল্য দিতে হচ্ছে । সম্পর্ক বন্ধ রাখা ভেঙে যাওয়া নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে । পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হচ্ছে । সামাজিক নেটওয়ার্ক বিশ্বাস কে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে ।
  3. সাইবার সন্ত্রাসঃ খুব সহজে যে কোনো ব্যক্তির জীবনযাত্রায় অনুপ্রবেশ করতে পারা সব সময় ভালো ফল বয়ে আনে না । এরপরে সাইবার সন্ত্রাস নামক নতুন সমস্যা তৈরি হচ্ছে যা পুরো পৃথিবীতেই ব্যাপক ক্ষতির কারণ ঘটাচ্ছে । বিশেষভাবে এটি অল্প বয়সী ছেলে মেয়েদের ক্ষেত্রে ঘটছে । তারা জনসম্মুখে একে অপরকে বিব্রত করছে এবং বিভিন্ন ধরনের নিচা আপত্তিকর বিষয় পোস্ট করছে যা অনলাইনে সমগ্র সাইবার বিশ্বের প্রচারিত হচ্ছে ।
  4. কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য ও বৈষম্য সৃষ্টিতে ব্যবহারঃ তাই প্রত্যেকেরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাউন্ট আছে যা তাদের ও তাদের জীবনযাত্রাকে বয়স ও নানা ব্যক্তিগত তথ্যকে প্রদর্শন করে । অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগ কারীরা এগুলোকে তাদের সুবিধা আদায়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অন্যায় ভাবে ব্যবহার করছে । যে পেশাগুলো নির্দিষ্ট শ্রেণীর লোক খুঁজছে কিন্তু বৈধভাবে প্রকাশ করতে পারছে না তারা সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্বাচন করছে ।
  5. আসক্তিঃ একটি অন্যতম বড় সমস্যা হলো মানুষ এই সামাজিক মাধ্যমের প্রতি দিন দিন অত্যধিক ভাবে আসক্ত হয়ে পড়ছে । স্কুল কলেজ বাড়ি ও কর্মক্ষেত্রে এটি প্রধান সময় অপচয়কারী হয়ে উঠেছে । এর ফলে মানুষ আক্ষরিক অর্থে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে ।
  6. ব্যক্তিগত তথ্য চুরিঃ অনেক ব্যবহারকারী নিজের ব্যক্তিগত তথ্য অসাবধানে শেয়ার করে থাকেন, যা হ্যাকারদের হাতে পড়ে যেতে পারে।
  7. সাইবার বুলিংঃ অনলাইনে অনেকেই অপমান, হুমকি এবং বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের শিকার হোন।
  8. অনাকাঙ্ক্ষিত মনোযোগঃ অপরিচিত ব্যক্তিরা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যোগাযোগ করে আপনাকে বিরক্ত করতে পারে এবং অনেক বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। 
  9. একাকিত্ব এবং বিচ্ছিন্নতাঃ অনেকেই অনলাইন জগতে ব্যাস্ত থাকার কারণে বাস্তব জীবনের সম্পর্ককে উপেক্ষা করে, যার ফলে একাকীত্ব বোধ করতে পারে।
  10. মানসিক চাপঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অন্যদের সাথে তুলনা করা, অনেক সময় নিজের নেতিবাচক মন্তব্য দেখা ইত্যাদি আপনার মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।
  11. মিথ্যা তথ্যের প্রসারঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
  12. সামাজিক সম্পর্কের অবনতিঃ অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম অনেক ধরণের অপরাধের জন্য ব্যবহৃত হয়, সাইবার ক্রাইম, চাঁদাবাজ ইত্যাদি। 
  13. দৃষ্টি ভঙ্গির সংকীর্ণতাঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  একই ধরণের তথ্যের সংস্পর্শে আসার কারণে দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণ হয়ে যেতে পারে। 
  14. শিক্ষার উপর নেতিবাচক প্রভাবঃ অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করার কারণে পড়াশোনা কম করে।
  15. ভুয়া খবরঃ ভুয়া খবর অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন- কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম কমিয়ে দিতে পারে। 
  16. অনলাইন জুয়াঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইন জুয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা অনেকের জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবনের সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে গেলেও, এটি ব্যবহারে আপনাকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তা-নাহলে অনেক বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন কম বেশি সবাই ব্যবহার করে।  সুন্দর,  সহজ ও নিরাপদ উপায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে যেসব সতর্কতা মেনে চলতে হবে সেগুলো নিচে দেয়া হলো-

কেন সতর্কতা জরুরি ? 
  • গোপনীয়তা লঙ্ঘনঃ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে, যার ফলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন।
  • সাইবার বুলিংঃ অনলাইনে আপনি খারাপ বন্ধুদের কারণে সাইবার বুলিং এর স্বীকার হয়ে হয়রানি হতে পারেন।
  • ভুল তথ্যঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক সময় ভুল তথ্যের প্রসার ঘটতে পারে, যা আপনার বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
  • সোস্যাল মিডিয়াতে আসক্তিঃ সোস্যাল মিডিয়াতে বেশি সময় দিলে আপনি এটির প্রতি নিজে অজান্তেই আসক্ত হয়ে যেতে পারেন।
  • মানসিক চাপঃ অন্যের দেখানো জাক জমকপূর্ণ জীবন দেখে নিজের জীবনের সাথে তুলনা করে মানসিকভাবে কষ্ট পেতে পারেন। 
আপনার সতর্কতার উপায়ঃ  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য কি কি পদক্ষেপ নিবেন তা নিচে তুরে ধরা হলো-
  •  ব্যাক্তিগত তথ্য গোপন রাখুনঃ আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য যেমন- আপনার জন্ম তারিখ, মোবাইল নাম্বার, বাড়ির ঠিকানা ইত্যাদি অবশ্যই গোপন রাখুন। 
  • ভুয়া খবর চিনতে শিখুনঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্য-মিথ্যা ভালোভাবে যাচাই করে নিন। 
  • সাইবার বুলিং এড়াতে শিখুনঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেও যদি আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করে বা বিরক্ত করে তাহলে তাকে ব্লক করে দিন, অপ্রয়জনে কারো সাথে তর্কে জড়াবেন না। 
  • সময় নির্ধারণ করুনঃ সোসাল মিডিয়াতে কতক্ষণ সময় দিলে আপনি আপনার বাকি সব কাজ ঠিক রাখতে পারবেন, সেই সময় নির্ধারণ করুন। যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনার কোন অযথা সময় নষ্ট না হয় সেই বিষয়ে খেয়াল রাখুন।
  • বাস্তব জীবন উপভোগ করুনঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি আপনার পরিবার-পরিজন , বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশি ইত্যাদি অর্থাৎ আপনার বাস্তব জীবনের সাথে সম্পর্কিত সকলের সাথে সময় দিন।
  • সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে জানুনঃ সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে রাখুন। আর আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যবহৃত আইডি ও আপনার ডিভাইসগুলো নিরাপদ রাখুন। 
সুতরাং, শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো কি কি ? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে জানলেই হবে না, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে কিভাবে সতর্কতা অবলম্বন করবেন সেটাও জানতে হবে। 

লেখকের শেষ কথা ।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অসুবিধা সমূহ । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি ? 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এইকথাটির সাথে আমরা এখন মোটামুটি সবাই পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে পৃথিবীটা যেন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। খুব সহজে এবং দ্রুত আপনার যে কোনো সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন আপনার হাতে থাকা ফোন বা আপনার টেবিলে থাকা ল্যাপটপের মাধ্যমে। দূর দূরান্ত থেকে আপনার প্রিয়জন, পরিবার, বন্ধ-বান্ধব, পরিচিত অপরিচিত সকলের সাথে মুহূর্তেই যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন ম্যাসেজিং, অডিও কিংবা ভিডিও কলের মাধ্যমে। 
আজকের আর্টিকেলে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি কি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো কি কি সেসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি  । আশা করছি পুরো পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আপনি খুব ভালোভাবে পড়েছেন এবং নিশ্চয়ই এগুলো আপনার উপকারে আসবে । আপনাদের জন্য তথ্যগুলো বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করেছি । যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো কি কি, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি সেগুলো আপনি ভালোভাবে জানতে পারেন । তারপরেও আমার লেখায় যদি কোন ভুল ত্রুটি থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই সেগুলো কমেন্ট বক্সে জানাবেন । আর যদি আমাদের লেখাটা ভালো হয়ে থাকে তাহলে সেটাও কমেন্ট বক্সে জানাবেন ।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ট্রাসটেডএয়ার্ডের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪